Type the name of a full movie

Get
Showing posts with label খবর. Show all posts
Showing posts with label খবর. Show all posts

তনু হত্যার বিচার চাই

রাস্তার ওপর পড়ে আছে জুতা,ছেড়া চুলএকটু দূরে মোবাইল ফোন,আর একটু দূরে গলা কাটা লাশ!
কান থেকে তখনো রক্ত ঝরে পড়ছেধর্ষনের পর হত্যা করা হয়েছে সোহাগীকে।ঘটনাটা কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায়।
নিহত সোহাগী জাহান তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ইতিহাস বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্রী।
দেশের সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হিসেবে ধরা হয় ক্যান্টনমেন্ট এলাকাগুলোকে!সবচেয়ে নিরাপদ জায়গাতেই যদি সন্ধ্যায় একেবারে চেকপোস্টের কাছেই ধর্ষন হত্যা হয় তাহলে আর কোথায় নিরাপদ থাকবো আমরা?ঘটনার দুদিন পরেও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।মামলায়ও কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।

আবারও একটি মর্মান্তিক ঘটনা!আবার কিছু দিন হইহল্লা।তারপর আবার সব স্বাভাবিকখুনিরা আবারো হয়ে উঠবে স্বাধীন ও সম্যানীয় ব্যক্তি!তাদেরকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে,তৈরী হবে আরো কিছু নর পিশাচ।
বর্তমান খুনি,ধর্ষণকারীদেরই শাস্তির খবর নেই,৭১'এর পাপী ধরতে ব্যস্ত সরকার।
কি হবে এই দেশের যেখানে সব থেকে নিরাপদ এলাকাটিও আর নিরাপদ নয়?
কিভাবে সম্যান করব এমন দেশের যেখানে আমার মা,বোনের কোনই সম্যান বা নিরাপত্তা নেই?যেখানে অপরাধীর কোনো বিচার নেই।অপরাধীরাই যেখানে দেশের সব থেকে সম্যানীয় ব্যক্তি।

কি হল ৭১'এর সেই জাতীর যারা কখনই অন্যায় কে মাথা পেতে নিত না?৭১'এর সেই তেজ কি আমরা ৭১'এই হারিয়ে ফেলেছি?
দেশ নিয়ে কিছু বললে ১০ জন তেড়ে আসবে আমাকে দেশদ্রহী বলে,অথচ তারাই দেখুন ঘরে বসে আঙ্গুল চুষচ্ছে যখন বাইরে তার মা,বোনের ধর্ষণ হচ্ছে।


আসুন ঘরে আর বসে না থাকি।আসুন সবাই জাগ্রত হই।আমরা সেই জাতি যারা প্রায় নিরস্ত্র ভাবেই ৭১'এ বাইরের শত্রু কে তাড়িয়ে ছিলাম।
এবার সময় এসেছে ঘরের শত্রুদের তাড়াবার।এখনই সময় জানিয়ে দেবার আমরা এখনো সেই বীর বাঙ্গালী!


আর যদি এতো কিছুর পরও কোনো বিচার নাহ হয়,তবে আর কি?এই দেশের আর কনোই ভবিষ্যৎ থাকবেনা।এতো কষ্টে পড়ালেখা করে কি লাভ,যদি একজন খুনি/ধর্ষণকারী/অপরাধী আমার থেকে বেশী সম্যানীয় হয়?অপরাধ করেই যদি বীরের বেশে,স্বাধীনভাবে এবং সম্যানের সাথে মাথা উচু করে চলা যায়,তাহলে আমি কেন আরো ১০ টা অপরাধ করব না?

আমি কোনো জাতী-ধর্ম-বর্ণ বা রাজনৈতিক দলকে নিচু দেখানোর জন্য কথা গুলো বলছি নাহ।শুধুমাত্র সকলকে এক হবার জন্য আবেদন জানাচ্ছি
আসুন সবাই অন্যেয়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই,প্রতিবাদ করি।
সোহাগী আমাদের বোন।আমরা আমাদের বোন হত্যার বিচার চাই।

সবাই সামাজিক মাধ্যমে হ্যাস ট্যাগ(#Justice_for_Tonu) দিয়ে প্রতিবাদ করুন।এক জুনায়েদের যেভাবে সামাজিক মাধ্যম গুলোর সাহায্যে বিচার করা হয়েছিল,সেভাবেই চাইলেই সামাজিক মাধ্যম গুলোর সঠিক ব্যবহার করে আমরা এই অপরাধটিরও সঠিক বিচার এর জন্য প্রশাসনকে আবেদন জানাতে পারি।


#Justice_for_Tonu


দ্রুত ফিরবেন তাসকিন

তাসকিন আহমেদ ও আরাফাত সানিকে নিষিদ্ধ করায় আইসিসির কঠোর সমালোচনা করেছেন অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট ইয়ান চ্যাপেল। তিনি বলেন, ‘আমি এর পেছনে কোনো যুক্তি খুঁজে পাচ্ছি না। দুজনই টুর্নামেন্টে ভালো করছিল।’ চ্যাপেলের মতে, বিশ্বকাপের আগে কিংবা পরে ব্যবস্থা নেওয়া যেত। বিশ্বকাপের মতো আসরের মাঝ পথে তাদের বাদ দেওয়াটা রূঢ় সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক এ অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। এদিকে তাসকিনকে হতাশ না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার। তিনি এক টুইটে বলেন, ‘তাসকিনের জন্য খুব খারাপ লাগছে। আমি আশা করি, সে দ্রুতই আইসিসির ছাড়পত্র পাবে। তাসকিন বিশ্ব ক্রিকেটের সম্পদ।’ শোয়েব আখতারও এক সময় নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। অবশ্য অনেকটা বাধ্য হয়েই তার উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। শোয়েব আখতারের মতোই দ্রুত ক্রিকেট মাঠে ফিরতে পারেন তাসকিন। এদিকে দুই বোলারকে নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে আপিল করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এ ব্যাপারে জরুরি বৈঠকে বসছে আইসিসিও।

সুত্র-বাংলাদেশ প্রতিদিন

হ্যাকার নেবেন, হ্যাকার?

রোমানিয়াকে হ্যাকারদের স্বর্গরাজ্য বলা যায়। এখানে স্কুলেই শেখানো হয় সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি। দেশটিতে স্বশিক্ষিত হ্যাকারের কোনো অভাব নেই। কম খরচে রোমানিয়ার হ্যাকারদের দিয়ে কাজ করানো যায় বলে অনেকে এখন রোমানিয়ার হ্যাকারদের দিকে হাত বাড়াচ্ছেন। এই সুযোগে রোমানিয়া হয়ে উঠেছে সাইবার জগতের ‘হটস্পট’। 
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাষ্য, সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ ব্যক্তিদের চাহিদা বাড়ছে। কম খরচ আর প্রযুক্তি দক্ষতার কারণে হ্যাকারদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে রোমানিয়া। অথচ এক সময় দেশটির দুই তৃতীয়াংশ সফটওয়্যার ছিল অবৈধ। 
রোমানিয়ার প্রযুক্তি দক্ষ ব্যক্তিরা পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন বেশি বেতনের সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক কাজগুলো। 
তিন মাস আগে গেম নির্মাতা গ্যাব্রিয়েল কারলিগ সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করার জন্য তার পেশা পরিবর্তন করেছেন। তাঁর আগে পাঁচ বছর গেম তৈরিতে কাজ করেছেন তিনি। এখন পেশা বদলে সাইবার নিরাপত্তার কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সিসকোর তথ্য অনুযায়ী, রোমানিয়াতে গেম সংক্রান্ত চাকরির সুযোগ কমছে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ কর্মীর চাহিদা হু হু করে বাড়ছে। 
গ্যাব্রিয়েল কারলিগ বলেন, এখন পরিবর্তনের যুগ। একজন পেশাদার হিসেবে প্রতিদিন নিজেকে উন্নত করে তোলায় এখানে টিকে থাকার একমাত্র উপায়। 
গ্যাব্রিয়েলের মতো রোমানিয়ার অনেকেই এখন এ পেশায় আসছে। 
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সিমানটেকের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ব্রাউনের মতে, ২০১৯ সাল নাগাদ সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দক্ষ লোকের ঘাটতি ১৫ লাখে পৌঁছাবে। 
বিটডিফেন্ডার, অ্যাভিরা, হেইমডালের মতো প্রতিষ্ঠান এ বছরেই রোমনিয়াতে তাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মী সংখ্যা ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশটিতে তারা কয়েকশরও বেশি কর্মী নিয়োগ দিয়েছে। কারণ, দেশটিতে পশ্চিম ইউরোপের তুলনায় খুব কম খরচেই সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ কর্মী সহজে পাওয়া যায়। ব্রেইনস্পটিং নামের একটি কর্মী নিয়োগ প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে জুনিয়র স্তরের প্রকৌশলীরা ৫৮০ ডলারের মতো বেতন পান। মধ্য স্তরের বিশেষজ্ঞদের বেতন এক হাজার ৫০০ ডলার থেকে দুই হাজার ৫০০ ডলার আর জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের কোনো সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ বেতন পাতন তিন হাজার ৫০০ ডলারের মতো। 
ব্রেইনস্পটিংয়ের পরামর্শক মারিয়া হসটিউক বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলো সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ খুঁজলেও তাঁরা ওয়েবে চাকরির বিজ্ঞাপন দেন না। বেশিরভাগ চাকরি হয় সুপারিশে।’ 
রোমানিয়ার অধিকাংশ সাইবার নিরাপত্তা প্রকৌশলীরা স্বশিক্ষিত। স্কুলে তাঁরা যে কম্পিউটার সায়েন্সের জ্ঞান অর্জন করেন তা কাজে লাগিয়েই এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন তাঁরা। গেম নির্মাতা গ্যাব্রিয়েল বলেন, যখন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়তেন তখন শখের বসে এ বিষয়টি শিখেছিলেন। এ ছাড়া হ্যাকারদের বিভিন্ন পুরোনো গল্প এখানকার হ্যাকারদের এ বিষয়ে ক্যারিয়ার গঠনে উদ্বুদ্ধ করে। 
যাঁরা এ বিষয়ে শিখতে আগ্রহী তাঁদের জন্য ‘সাইব্রারি’ নামের একটি বিনা মূল্যের অনলাইন কোর্স দারুণ কাজে লাগবে। সাইব্রারির সহ-প্রতিষ্ঠাতা রায়ান কোরে বলেন, রোমানিয়ানদের বেসিক বা মূল বিষয়গুলো আগে থেকেই জানা থাকে। অধিকাংশ এই প্ল্যাটফর্মটি নিরাপত্তা দক্ষতার জ্ঞান আরও বাড়াতে ব্যবহার করে। 
কোরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর যুক্তরাজ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে প্রাথমিক স্তরের কোর্সগুলো বেশি জনপ্রিয়। এ ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক প্লাস, সিসিএনএ, লিনাক্স প্লাসে বেশি আগ্রহ দেখা যায়। কিন্তু রোমানিয়ায় উচ্চতর কোর্সগুলোতে মানুষের বেশি আগ্রহ দেখা যায়। এর মধ্যে আছে ম্যালওয়্যার অ্যানালাইসিস, অ্যাডভান্সড পেনিট্রেশন টেস্টিং প্রভৃতি। 
২০১৫ সালের শেষ তিন মাসে সাইব্রারির চালানো এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সাইবার নিরাপত্তায় কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয় প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের প্রযুক্তি কর্মকর্তাদের। সমীক্ষায় ৪৩৫ জন কর্মকর্তাকে প্রশ্ন করে সাইব্রারি। তাদের ৮০ শতাংশ সাইবার নিরাপত্তায় লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যার কথা বলেন। এর কারণ হিসেবে ৪০ শতাংশ বলেন, দক্ষতার অভাব, ১৮ শতাংশ বলেন বিশেষজ্ঞদের আকর্ষণ করার মতো রসদের অভাব আর ১৪ শতাংশ বলেন, কর্মীদের অবস্থানের কারণে নিয়োগে সমস্যা হয়। 
রোমানিয়ার বৃহত্তম সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিটডিফেন্ডার। প্রতিষ্ঠানটিতে বিশ্বজুড়ে ৯০০ জনের বেশি কর্মী আছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ও উন্নয়নের অধিকাংশ কর্মী স্থানীয়। 
বিটডিফেন্ডারের নিয়োগ কর্মকর্তা এলভিস পপোভিসি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ নিয়োগে এক থেকে তিন মাস সময় লেগে যায়। এতে সাক্ষাৎকার কারিগরি পরীক্ষার বিষয় থাকে। এ ক্ষেত্রে নতুন লোক নিয়োগের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। 
রোমানিয়ায় কাজ করছে আরেক অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাভিরা। রোমানিয়ায় ১০০ জনের বেশি কর্মী আছে অ্যাভিরার। প্রতিষ্ঠানটির মানব সম্পদ বিভাগের ব্যবস্থাপক এলেনা নাসতাসা বলেন, ‘আমাদের অধিকাংশ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ প্রোগ্রামার হিসেবে ডেস্কটপ ও মোবাইলের নিরাপত্তা অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে কাজ করে। এ ছাড়া ম্যালওয়্যারের নমুনা পরীক্ষার কর্মীও আছে।’ 
এলেনা বলেন, রোমানিয়ায় এখন অনেকে নতুন সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম শুরু করছে বলে লোক নিয়োগ দেওয়া কঠিন। কারণ, তরুণদের নিয়োগ দিয়ে তারা এখানেই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। তথ্যসূত্র: জেডডিনেট

কোহলি-ধাওয়ানের ব্যাটে বাংলাদেশকে হারাল ভারত