টুইন টাওয়ার আক্রমণ হিসেবে পরিচিত এই সন্ত্রাসী আক্রমণটিকে পুরো বিশ্ব এখনো ভুলতে পারেনি, যার পেছনের মূল মদদদাতা হিসেবে পরিচিত আল-কায়েদা। আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের নির্দেশেই এ আক্রমণটি করা হয় বলে সবার ধারণা, যিনি ২০১১ সালে ২ মে মারা গেছেন আমেরিকান সামরিক বাহিনীর হাতে। তথ্যমতে ১৯ জন আল কায়েদা সদস্য সেদিন নিউইয়র্ক শহরের ব্যবসায়িক কেন্দ্রবিন্দু টুইন টাওয়ারকে আক্রমণের উদ্দেশ্যে চারটি বিমান ছিনতাই করে এবং সোজাসুজি গিয়ে টুইন টাওয়ারের একপাশ পুঁড়ে অন্যপাশে চলে যায়। এ ঘটনায় বিমানের ১৯ জন আক্রমণকারী ছাড়াও মারা যান ভবনটির প্রায় ৩০০০ মানুষ। প্রথমে বিন লাদেন পুরো ব্যাপারটি অস্বীকার করলেও ২০০৪ সালে মেনে নেন, এই হামলার পরিকল্পনাকারী তিনিই ছিলেন। তবে এ ঘটনাটির পুরোপুরি বিশ্লেষণ করতে গেলে কেবল বিন লাদেনই নন সন্ত্রাসবাদের নতুন শক্তিশালী রূপটিও ফুটে ওঠে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো অনেক পর্যালোচনা চলছে। এগুলোর অনেকটাই ধোঁয়ার ভেতরে রয়েছে। ফলে এখনো পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত দেশ আমেরিকার হিসাব অনুসারে দায়ী বলে মনে করা হয় আল কায়েদা দলটিকেই।
