Type the name of a full movie

Get
Showing posts with label বিশ্বসেরা ধ্বনি. Show all posts
Showing posts with label বিশ্বসেরা ধ্বনি. Show all posts

বার্নার্ড আরনল্ট পরিবার [ফ্রান্স]



সম্পদের পরিমাণ : ৩ হাজার ৭৭০ কোটি ডলার

ফ্রান্সের বার্নার্ড আরনল্ট ও তার পরিবারের ব্যবসার পরিসর যে কাউকে চমকে দেবে। বিশ্বজুড়ে অন্তত ৭০টি ব্রান্ডের মোড়কে তারা ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে। এসব ব্রান্ডের মধ্যে রয়েছে ডম প্যারিগনন, বুলগেরি, লউস ভোটন, ফেন্ডি, সেফোরা। এ ছাড়াও সারা বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে তাদের ৩ হাজার ৭০০ রিটেইল স্টোর। বিলাসবহুল পণ্য উৎপাদনকারী ও বিপণনকারী হিসেবেও তারা সমাদৃত। এই পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৩ হাজার ৭৭০ কোটি ডলার। বিশ্বের সেরা বিলাসপণ্য উৎপাদনকারী এলভিএমএইচ কোম্পানিটি তাদের মালিকানাধীন |

লিলিয়ান বেটনকোর্ট পরিবার [ফ্রান্স]



সম্পদের পরিমাণ : ৪ হাজার ২৭০ কোটি ডলার

 ইউরোপের সবচেয়ে ধনী নারী লিলিয়ান বেটেনকোর্ট। প্রসাধনী ব্যবসায় তার রাজকীয় অবস্থান বিশ্বের যে কোনো প্রসাধনী ব্যবসায়ীকে চমকে দিতে বাধ্য। লিলিয়ান ও তার পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৪ হাজার ২৭০ কোটি ডলার। ল’রিয়েলের মালিক এই পরিবারটির মোট স্কোর ৩৯। তারা ধনী পরিবারের তালিকায় রয়েছে ৭ নম্বরে। ১৯০৭ সালে লিলিয়ানের বাবা স্কোইলারের হাতে ল’রিয়েলের গোড়াপত্তন ঘটে। তারপর নানা উত্থান-পতনের ভেতর দিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে তারা। কয়েক বছর ধরে লিলিয়ান নিজে ব্যবসা না সামলালেও উন্নতির গ্রাফ ঠিকই ঊর্ধ্বমুখী। ২০১৪ সালে তিনি প্রসাধনী ব্যবসা আরও ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি করেছেন। 

কারগিল-ম্যাকমিলান পরিবার [আমেরিকা]



সম্পদের পরিমাণ : ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার 

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বিলিওনিয়ার রয়েছে এই পরিবারে। মোট ১৪ জন বিলিওনিয়ারের পরিবার কারগিল-ম্যাকমিলান পরিবার রয়েছে ৬ নম্বরে। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ ৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবসায় জড়িত এ পরিবারটির মোট স্কোর ৪০। ১৮৬৫ সাল থেকে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে যুক্ত এ পরিবারটি একদিনে আজকের এই অবস্থানে আসেনি। এখন কৃষি সম্প্রসারণ ব্যবসা, দানাশস্য উৎপাদন ও ‘ফিন্যান্সিয়াল রিস্ক ম্যানেজমেন্ট’ তাদের ব্যবসার অর্থনৈতিক ভিত্তি আরও মজবুত করেছে।

কার্লোস স্লিম হেলু [মেক্সিকো]



সম্পদের পরিমাণ : ৭ হাজার ৭১০ কোটি ডলার

 রেস্তোরাঁ, এয়ারলাইনস, ব্যাংক, আবাসন, হোটেল ব্যবসায় বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যবসায়ী মেক্সিকোর কার্লোস স্লিম। খনি ব্যবসায়ও এখন প্রসিদ্ধ তারা। এ ছাড়া ১৯টি দেশে ৩০০ মিলিয়ন মানুষকে মোবাইল সেবা প্রদান করছে তারা। মেক্সিকো ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে মোবাইল ব্যবসায় তিনি সম্রাট বনে গেছেন। তাদের ব্যবসা ছড়িয়ে পড়েছে স্পেন ও তার পাশের দেশগুলোতে। সেখানে তেলের ব্যবসায় আধিপত্য ধরে রেখেছেন। তাই টাকার পাহাড় নিয়ে এই পরিবার এগিয়ে রয়েছে ৫ নম্বরে। ৪৩ পয়েন্ট মিলেছে এই পরিবারের। হেলু ও তার পরিবারের মোট সম্পদের পরিমাণ ৭ হাজার ৭১০ কোটি ডলার |

মার্স পরিবার [আমেরিকা]



সম্পদের পরিমাণ : ৮ হাজার কোটি ডলার 

চকলেট খেতে কে না পছন্দ করে। সারা বিশ্বেই চকলেটের জনপ্রিয়তা। আর চকলেট উৎপাদন ও বিপণন করেই বিশ্বের অন্যতম ধনী পরিবারের তালিকার চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে মার্স পরিবার। এ পরিবারের সম্পদের মূল উৎস ক্যান্ডি ও চকলেট। মোট পয়েন্ট ৪৪ নিয়ে তারা এই অবস্থানে রয়েছে। মার্স পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৮ হাজার কোটি ডলার। ঘরে পোষা প্রাণীর খাবারের বিখ্যাত ব্র্যান্ড পেডিগ্রিও মার্স পরিবারের মালিকানাধীন। ফরেস্ট জুনিয়র, জ্যাকুলিন ও জন মার্স পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসার শতভাগ শেয়ার হাতে রয়েছে তাদের।

কচ ফ্যামিলি [আমেরিকা]



সম্পদের পরিমাণ : ৮ হাজার ৬০০ কোটি ডলার

 তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা কচ পরিবার আমেরিকার অন্যতম ধনী পরিবার। শীর্ষস্থানীয় ব্যবসা, উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারী হিসেবে এই পরিবারের প্রভাব অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ২০১৩ সালেই কচ পরিবার ১১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেভিনিউ প্রদান করে। তাদের সম্পদ ও প্রতিপত্তির প্রমাণে এই সংখ্যাতত্ত্বটি যথেষ্ট। পরিবারটির মোট সম্পদের পরিমাণ ৮ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। কচ পরিবারের আয়ের উেসর মধ্যে তেল, রিফাইনারি, উৎপাদন অন্যতম। বর্তমানে চার্লস ও ডেভিড কচ ভাতৃদ্বয় তাদের পরিবারের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিত্ব করছে।

ওয়াল্টন পরিবার [আমেরিকা]



সম্পদের পরিমাণ : ১৪ হাজার ৯০০ কোটি ডলার

 আমেরিকার সবচেয়ে ধনী পরিবার ওয়াল্টন পরিবার। ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াল্টন পরিবার সারা বিশ্বের ধনী পরিবারের তালিকায় রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। তাদের সম্পদের পরিমাণ ১৪৯ বিলিয়ন বা ১৪ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সুপার চেইন শপ ওয়ালমার্টই পরিবারটির আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস। তাদের পরিবারের ৬ সদস্য পুরো ব্যবসার ৫৪ শতাংশ শেয়ার নিজেদের দখলে রেখেছেন। পোশাক ব্যবসায় ওয়াল্টন পরিবার একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে ব্যবসায় কোণঠাসা হলেও ২০১৫ সালে ৪৮৬ বিলিয়ন ডলার ব্যবসা করে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছে।

আল সৌদি রাজপরিবার [সৌদি আরব]


সম্পদের পরিমাণ : ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলার

পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী পরিবার সৌদি রাজপরিবার। এখনো রাজতন্ত্র মেনে চলা সৌদির এই পরিবার যুগ যুগ ধরে শাসন করে আসছে। অষ্টাদশ শতাব্দী থেকে সৌদি আরব শাসন করা এই রাজপরিবারের শাসকরা পরিচিত আল সৌদ নামে। পরিবারটির বর্তমান সম্পদের বাজারমূল্য ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। এদের মূল আয়ের উৎস তেলের খনি। সারা বিশ্বে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল বিক্রি করেই তাদের বেশির ভাগ আয় হয়। সৌদির তেলের ওপর পুরো বিশ্বের নির্ভরতা তাদের দিন দিন ধনী করেছে। পুরো ৫০ নম্বর নিয়ে তালিকার এক নম্বরে সৌদি রাজপরিবার।