Type the name of a full movie

Get
Showing posts with label দেশে দেশে সন্ত্রাসী বোমা হামলা. Show all posts
Showing posts with label দেশে দেশে সন্ত্রাসী বোমা হামলা. Show all posts

পিয়াজা ফন্টানা বোম্বিং [ ১২ ডিসেম্বর, ১৯৬৯]

ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেওয়া বোমা বিস্ফোরণগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি মারাত্দক সন্ত্রাসী আক্রমণ হিসেবে পরিচিত ইতালির ওই বোমার বিস্ফোরণটি। বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে ইতালির মিলানে অবস্থিত দুয়োমো থেকে প্রায় ২০০ মাইল দূরে অবস্থিত জাতীয় কৃষি ব্যাংকের সদর দফতরে বিস্ফোরিত হয় বোমাটি। এতে মারা যায় প্রায় ১৭ জন আর আহত হন ৮৮ জনের বেশি মানুষ। ঠিক সেই বিকালেই ইতালির অন্য কিছু শহরেও আরও তিনটি বোমা পোঁতা ছিল বলে জানা যায়। যার ২টি বিস্ফোরিত হয় রোম আর মিলানে। যদিও তিন নম্বর বোমাটি বিস্ফোরিত হওয়ার আগেই নষ্ট করে দেওয়া হয়। 

দাবরোভকা থিয়েটার অবরোধ [ ২৩ অক্টোবর, ২০০২ ]

২০০২ সালের ২৩ অক্টোবর ঘটা এই অবরোধটি নর্ড-ওস্ট অবরোধ বলেও পরিচিত। প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত চেচেনদের অবরোধ ছিল এটি, যারা চেচনিয়ার ইসলামিস্ট মিলিটান্ট সেপারিস্ট মুভমেন্টের পক্ষে ছিলেন। এ সময় মোট ৮৫০ জন সাধারণ মানুষকে বন্দী করে রাখা হয় এবং তাদের বদলে চাওয়া হয় চেচনিয়া থেকে রাশিয়ানদের বিদায় নেওয়া। এ সময় নিজেদের বাসভূমিতে নতুন করে আবার দ্বিতীয় চেচান যুদ্ধ চাননা বলেও জানায় অবরোধকারীরা। এই অবরোধের শেষ হয় প্রায় আড়াই দিন পর যখন রাশিয়ার আলফা গ্রুপ নাম না জানা এক গ্যাসের সাহায্যে পুরো দালানটিকে ভরিয়ে দেয় এবং ঝটিকা আক্রমণ চালায়। তবে এতে প্রায় ৪০ জন আক্রমণকারী মারা গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত হন সাধারণ মানুষও। ক্ষতিকারক গ্যাসের প্রভাবে মারা যান ১৩০ জন নিরীহ মানুষও। এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ভুলবে না বিশ্ববাসী।

বৈরুত ব্যারাক বোম্বিং [ ২৩ অক্টোবর, ১৯৮৯]

লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময়। ২৩ অক্টোবরের এক শান্ত দিন ছিল সেটি। লেবাননের গৃহযুদ্ধকে থামাতে বৈরুতে ব্যারাক গড়েছিল আমেরিকা আর ফ্রেঞ্চ সামরিক বাহিনী। তখন বেশ কিছু সামরিক যোদ্ধা ছিলেন নিজেদের কামরায়। নিজেদের দায়িত্ব পালন করে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তারা। ঠিক এমন সময় হঠাৎ বোমাবাহী দুটো ট্রাক এসে আমেরিকা আর ফ্রেঞ্চ সামরিক বাহিনীর দুটি ভিন্ন ভিন্ন দালানে গিয়ে আঘাত করে। বিস্ফোরিত হয় ট্রাকে থাকা বোমাগুলো। উড়ে যায় দালান দুটো। সঙ্গে সঙ্গে মারা যায় বোমা নিয়ে ট্রাকে বসে থাকা দুই জন ড্রাইভারও। আত্মঘাতী এই বোমার বিস্ফোরণে মারা যায় ২৪১ জন আমেরিকান সেবাদানকারী। যার ভেতরে ছিলেন ২২০ জন নৌবাহিনীর, ১৮ জন চালক আর ৩ জন যোদ্ধা। দুর্ঘটনাটিতে আহত হন আরও ৬০ জন আমেরিকান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটাই ছিল আমেরিকান সৈন্যদের মৃত্যুর সবচেয়ে বড় ঘটনা।

ওকলাহামা সিটি বোম্বিং [ ১৯ এপ্রিল, ১৯৯৫ ]


আমেরিকার মাটিতে ঘটা দ্বিতীয় বৃহৎ সন্ত্রাসী আক্রমণ হিসেবে পরিচিত আক্রমণটি হলো এই ওকলাহামা সিটি বোম্বিং। এ সময় শহরটির আলফ্রেড পি. মুরাহ নামের একটি ফেডারেল দালানে আক্রমণ করা হয়। যাতে মারা যান মোট ১৭০ জন নিরীহ মানুষ। নিহতদের মধ্যে ২০ জন ছিল শিশু। এ ঘটনায় আহত হয়েছিলেন আরও ৬৮০ জন। সন্ত্রাসী টিমোথি ম্যাকভেগকে এই আক্রমণের হোতা বলে চিহ্নিত করা হয় এবং ঘটনার প্রায় ছয় বছর পর আদালত তাকে ফাঁসির আদেশ দেন।

৯/১১ আক্রমণ [ ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ ]

টুইন টাওয়ার আক্রমণ হিসেবে পরিচিত এই সন্ত্রাসী আক্রমণটিকে পুরো বিশ্ব এখনো ভুলতে পারেনি, যার পেছনের মূল মদদদাতা হিসেবে পরিচিত আল-কায়েদা। আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনের নির্দেশেই এ আক্রমণটি করা হয় বলে সবার ধারণা, যিনি ২০১১ সালে ২ মে মারা গেছেন আমেরিকান সামরিক বাহিনীর হাতে। তথ্যমতে ১৯ জন আল কায়েদা সদস্য সেদিন নিউইয়র্ক শহরের ব্যবসায়িক কেন্দ্রবিন্দু টুইন টাওয়ারকে আক্রমণের উদ্দেশ্যে চারটি বিমান ছিনতাই করে এবং সোজাসুজি গিয়ে টুইন টাওয়ারের একপাশ পুঁড়ে অন্যপাশে চলে যায়। এ ঘটনায় বিমানের ১৯ জন আক্রমণকারী ছাড়াও মারা যান ভবনটির প্রায় ৩০০০ মানুষ। প্রথমে বিন লাদেন পুরো ব্যাপারটি অস্বীকার করলেও ২০০৪ সালে মেনে নেন, এই হামলার পরিকল্পনাকারী তিনিই ছিলেন। তবে এ ঘটনাটির পুরোপুরি বিশ্লেষণ করতে গেলে কেবল বিন লাদেনই নন সন্ত্রাসবাদের নতুন শক্তিশালী রূপটিও ফুটে ওঠে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনো অনেক পর্যালোচনা চলছে। এগুলোর অনেকটাই ধোঁয়ার ভেতরে রয়েছে। ফলে এখনো পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত দেশ আমেরিকার হিসাব অনুসারে দায়ী বলে মনে করা হয় আল কায়েদা দলটিকেই।

একলব্যের মুন্ডুপাত

একলব্যের মুন্ডুপাত


দেশে দেশে কুখ্যাত সন্ত্রাসী হামলা

বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নতুন নয়। তবে গত শতাব্দী থেকেই সন্ত্রাসবাদের বিস্তার ঘটতে শুরু করে বিশ্বব্যাপী। একই সঙ্গে দেশে দেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বাড়তে থাকে। এ ধরনের হামলায় প্রাণ হারায় বেসামরিক বহু নিরীহ মানুষ। আমেরিকায় নাইন-ইলেভেনের ঘটনার পর সন্ত্রাসবাদ নতুন করে বিশ্বে তোলপাড় তোলে। সারা বিশ্বে সেই অতীত থেকে এ পর্যন্ত রোজ কোথাও না কোথাও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে নিহত হচ্ছে কেউ না কেউ। আর সেগুলোর ভেতরে কিছু আক্রমণের ঘটনা কেড়ে নিচ্ছে আমাদের ভাবনার অনেকটা জায়গা। সেরকম কিছু সন্ত্রাসী আক্রমণ নিয়ে আজকের রকমারি। লিখেছেন- সাদিয়া ইসলাম বৃষ্টি 

অ্যানথ্রাক্স আক্রমণ [ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০০১]

টুইন টাওয়ার হামলার কিছুদিন পরের কথা। ধীরে ধীরে মানুষের মন খানিকটা হলেও নিজস্ব নিয়মে শান্ত হয়ে পড়ছিল। ঠিক তখনই, টুইন টাওয়ার হামলার মাত্র সপ্তাহ খানেক পর ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরে খুব ধীরে ধীরে সন্ত্রাসীরা আবার খুব গুরুতর একটি আক্রমণ করে বসে আমেরিকায়। ধীরে ধীরে সংগঠিত হওয়া এই আক্রমণটির ফলাফল ধরা পড়ে কয়েক সপ্তাহ পরে। ৫ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু আর ১৫ জন মানুষের অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সবার নজর কাড়ে ব্যাপারটি। এফবিআই অফিসারদের কথা মতে ইতিহাসের অন্য সব আক্রমণের চেয়েও এটি ছিল সবচেয়ে কঠিন। কারণ আক্রমণটির কোনো অবয়ব ছিল না। না ছিল কোনো অস্ত্রের ব্যবহার, না কোনো বোমার। বরং এর হাতিয়ার ছিল একটি চিঠি। যার ভেতরে ভরে দেওয়া ছিল অ্যানথ্রাক্সে কিছু জীবাণু। পরোক্ষ এই সন্ত্রাসী কার্যক্রমের লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন ক্ষমতাধর মানুষের কার্যালয়। যদিও এই আক্রমণের মূল হোতা বা কারণ জানা যায়নি, মনে করা হয় আল কায়েদার হাত রয়েছে এর পেছনে। তবে ডা. ইভান নামক এক ব্যক্তির কথাও উঠে আসে এফবিআইর কথায়। এর কিছু দিন পরই ইভান আত্দহত্যা করেন। এফবিআই পরে ইভানকেই এ হামলার পরিকল্পনাকারী বলে শনাক্ত করে এবং এরপর আমেরিকা নিজেদের নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও বাড়িয়ে দেয়।

টিডব্লিউএ ফ্লাইট আক্রমণ [ ৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ ]

সাধারণত বিমানে সন্ত্রাসী হামলা বোঝাতে বিমান ছিনতাইকেই বোঝায়। কিন্তু তার চেয়েও আরও বেশি কিছু ছিল। ছিনতাই থেকেও আরও বেশি ভয়ের আর করুণ। এই বিমান হামলাটি চলে ১৯৭৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। এথেন্স থেকে রোমের দিকে সেদিন ঠিক নিয়মমতোই রওনা দেয় বিমানটি। যাত্রার মাঝপথে এটি ৭০ মিনিটের জন্য গ্রিসে থামে এবং সময় শেষে পরবর্তী গন্তব্য নিউইয়র্ক সিটি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের দিকে রওনা দেয়। কিন্তু যাত্রাপথের মাঝখানেই বিমানটি হঠাৎ লোনিয়ান সাগরে বিধ্বস্ত হয়। প্রথমে ইঞ্জিনের সমস্যার কথা বলা হয় এবং চালকের অদক্ষতাকেও এ ঘটনার কারণ বলে মনে করা হয়। কিন্তু ব্যাপারটি আদতে তা ছিল না। দেরিতে হলেও পরে জানা যায়, পুরো দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ছিল একটি ছোটখাটো বোমার বিস্ফোরণ।
এই পুরো ব্যাপারটির পেছনে হাত ছিল আবু নাদিল নামক একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের। বিমানের ৮০ ভাগ যাত্রী ঘটনার সময় ভেতরে ছিল এবং তাদের কেউই ঠিকভাবে আর ফেরত আসতে পারেননি।

পাকিস্তান সন্ত্রাসী আক্রমণ [ ২০০৬-বর্তমান ]

২০০১ সালের টুইন টাওয়ার হামলার পর থেকে পাকিস্তান বেশ চিন্তিত ছিল নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে। আর এই দুঃশ্চিন্তাকে সত্যি বলে প্রমাণ করতেই যেন প্রতি বছরই দেশটিতে হচ্ছে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা। সর্বশেষ এক স্কুলে জঙ্গি হামলায় মারা যায় ১৪২ জন শিশু। বিশেষ করে ২০০৬ সাল থেকে হামলার পরিমাণ ও বিস্তৃতি আরও অনেক বেশি বেড়ে গেছে। ২০০৬ সালে ৬৫৭টি, ২০০৭ সালে ১,৫০৩টি, ২০০৮ সালে ২,১৪৮টি, ২০০৯ সালে ২,৫৮৬টি এবং বর্তমানে প্রতিনিয়ত ঘটে চলা হঠাৎ এসব আক্রমণে এখন অবধি মারা গেছেন প্রায় ৩৫ হাজার বেসামরিক মানুষ। শুধু তাই নয়, এসব আক্রমণে দেশটি হারাচ্ছে প্রচুর সম্পদও। এ পর্যন্ত সন্ত্রাসী আক্রমণে পাকিস্তানের শুধু আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৬৭ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 

ওয়াল স্ট্রিট বোম্বিং [১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯২০]

দিনটি ছিল ১৯২০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার। তখন দুপুর ঠিক ১২টা। ঝলমলে দিনটির ঠিক ওই সময় কেউ ভুলেও আন্দাজ করতে পারেনি, এর ঠিক এক মিনিট পরই ঝলসে যাবে পুরো জায়গাটা। তাও আবার চরম আর মারাত্দক এক বোমার আঘাতে। ১২টা ১ মিনিটে আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের ওয়াল স্ট্রিটে ঘটা এই বোমা বিস্ফোরণে সেদিন নিহত হয়েছিলেন ৩৮ জন আর আহত হয়েছিলেন ১৪৩ জন নিরপরাধ মানুষ। তদন্তকারী আর ইতিহাসবিদদের দেওয়া তথ্যানুসারে জানা যায়, ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯২০ সালে ঘটা সেই বোমা বিস্ফোরণের পেছনে হাত ছিল ইতালিয়ান এক দাঙ্গাবাজ দল দ্য গ্যালিয়ানিস্টের। এর আগের বছরগুলোতেও গ্যালিয়ানিস্ট এমন আরও বেশ কিছু বোমার হামলা ঘটিয়েছিল। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, বর্তমান বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোর অন্যতম আমেরিকা সে সময়ে ওই মামলার সঠিক তদন্ত করেনি। এখনো এক রহস্যময় আর অসমাপ্ত মামলা হিসেবে ঘটনাটি রয়ে গেছে- যার ভুক্তভোগীরা নিজেদের ন্যায্য বিচার পায়নি।

মুম্বাই আক্রমণ [ ২৬ নভেম্বর, ২০০৮ ]

ভারতীয় ইতিহাসে এ পর্যন্ত সংঘটিত হওয়া সন্ত্রাসী কার্যক্রমগুলোর ভেতরে অন্যতম হচ্ছে মুম্বাই আক্রমণ। গেটওয়ে অব ইন্ডিয়ার লাগোয়া বিখ্যাত আর নামি ভারতীয় হোটেল তাজমহলে ঘটে আক্রমণটি। এ সময় সামরিক বাহিনী আর পুলিশের সঙ্গে মোট ৬৪ ঘণ্টা গোলাগুলি চলে সন্ত্রাসীদের। চলে বোমার অহরহ বিস্ফোরণও। দুপক্ষের কেউই পিছু হটছিল না। ভারতের ইতিহাসে ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর, দিনটি একটি কালো দিন হিসেবে সব সময় ভেসে থাকবে জনমনে। সে দিন এই আক্রমণ ছাড়াও মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে মোট ১০টি আক্রমণ চালায় সন্ত্রাসীরা। তবে হোটেল তাজমহল ছিল সন্ত্রাসীদের প্রধান লক্ষ্য- যার ১০০ নিরীহ বাসিন্দা ওই দিন মারা যান সন্ত্রাসীদের আক্রমণে।

ম্যাড বোম্বার [১৯৪০-১৯৫৬]

এই সন্ত্রাসী হামলাটি ঘটেছিল আমেরিকাতে। গত শতকের ৪০ আর ৫০ এর দশকে আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরটিতে একা হাতে একের পর এক বোমার বিস্ফোরণে মৃত্যু উপহার দিয়েছিল যে মানুষটি সে হলো জর্জ পি. মেটেস্কি। যার ডাক নাম ম্যাড বোম্বার বা পাগল বিস্ফোরণকারী। প্রায় ১৬ বছর ধরে একটা গোটা শহরকে বোমার ভয়ে আতঙ্কিত করে রাখে এই সন্ত্রাসী। ভিড় থেকে শুরু করে লকার, গুদাম বা অবকাশ যাপনের কামরা- সর্বত্র প্রায় ৩৩টি বোমা রেখেছিল মানসিকভাবে অসুস্থ এই মানুষটি। যদিও প্রথমে একজন সন্ত্রাসী হিসেবেই ধরা হয় তাকে, পরে এসব অস্বাভাবিক কার্যক্রমের ফলে ডাক্তাররা তাকে মানসিক রোগী বলে চিহ্নিত করেন। বোমা নিয়ে তিনি যে আতঙ্ক তৈরি করেছিলেন তা ইতিহাসে নজিরবিহীন। তার বোমা রাখার কিছু উল্লেখযোগ্য জায়গা হলো- গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল টার্মিনাল, পেনসিলভেনিয়া স্টেশন, রেডিও সিটি মিউজিক হল ও নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি। তার পোতা ৩৩টি বোমার মোট ২২টি বিস্ফোরিত হয় আর এতে আহত হন প্রায় ১০ জন।