টুইন টাওয়ার হামলার কিছুদিন পরের কথা। ধীরে ধীরে মানুষের মন খানিকটা হলেও নিজস্ব নিয়মে শান্ত হয়ে পড়ছিল। ঠিক তখনই, টুইন টাওয়ার হামলার মাত্র সপ্তাহ খানেক পর ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরে খুব ধীরে ধীরে সন্ত্রাসীরা আবার খুব গুরুতর একটি আক্রমণ করে বসে আমেরিকায়। ধীরে ধীরে সংগঠিত হওয়া এই আক্রমণটির ফলাফল ধরা পড়ে কয়েক সপ্তাহ পরে। ৫ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু আর ১৫ জন মানুষের অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সবার নজর কাড়ে ব্যাপারটি। এফবিআই অফিসারদের কথা মতে ইতিহাসের অন্য সব আক্রমণের চেয়েও এটি ছিল সবচেয়ে কঠিন। কারণ আক্রমণটির কোনো অবয়ব ছিল না। না ছিল কোনো অস্ত্রের ব্যবহার, না কোনো বোমার। বরং এর হাতিয়ার ছিল একটি চিঠি। যার ভেতরে ভরে দেওয়া ছিল অ্যানথ্রাক্সে কিছু জীবাণু। পরোক্ষ এই সন্ত্রাসী কার্যক্রমের লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন ক্ষমতাধর মানুষের কার্যালয়। যদিও এই আক্রমণের মূল হোতা বা কারণ জানা যায়নি, মনে করা হয় আল কায়েদার হাত রয়েছে এর পেছনে। তবে ডা. ইভান নামক এক ব্যক্তির কথাও উঠে আসে এফবিআইর কথায়। এর কিছু দিন পরই ইভান আত্দহত্যা করেন। এফবিআই পরে ইভানকেই এ হামলার পরিকল্পনাকারী বলে শনাক্ত করে এবং এরপর আমেরিকা নিজেদের নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও বাড়িয়ে দেয়।
